জুয়ার আসর থেকে সর্বস্বান্ত হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই তরুণ। বড় বেদনার সাথে লেখা এই মেইল পাঠিয়ে আমাদের মাধ্যমে জাতিকে সতর্ক করতে চেয়েছে সে। ছেলেটি এখন দুনিয়াতে আছে কি না জানি না। তবে তার এই বার্তার মধ্যে এদেশের লক্ষ লক্ষ যুবকের জন্য শিক্ষা রয়েছে।
জুয়া এখন আর স্থানীয় ক্ষুদ্র কোনো আসরের নাম নয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চক্রের তত্ত্বাবধানে সারাবিশ্বে পরিচালিত হচ্ছে বিধ্বংসী এই অপকর্মটি। গত ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিষ্ঠিত অনেক ওয়েবসাইট ও ইউটিউ চ্যানেল এ দেশের তরুণদের ভেতর জুয়ার বিষ পুশ করেছিল। জুয়ার সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচারের অপরাধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ইতোমধ্যে কয়েকজন ইউটিউবারকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
জুয়াকে আল্লাহ শয়তানের কাজ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আল্লাহ যাকে শয়তানের কাজ বলেন, তার মধ্যে মানবজাতির কোনো কল্যাণ থাকতে পারে না। যার অসংখ্য নমুনা আমাদের চোখের সামনে আছে। এখনই যদি এই অপকর্মের শেকড় উপড়ে ফেলা না হয়, তবে রাকিবের মতো অসংখ্য যুবক জুয়ার বিষে শেষ হয়ে যাবে। ধ্বংস হয়ে যাবে আমাদের সাজানো সংসার ও পরিবার। আল্লাহ্ আমাদের সকলকে এ সমস্ত মরণ ব্যাধি জুয়া সহ সব ধরনের ইসলাম বিরুদ্ধি খেলাধুলা থেকে হেফাজত করুক। আমিন