নতুন জোট গঠনের তৎপরতায় ইসলামী আন্দোলনকে চায় জাতীয় পার্টি

নতুন জোট গঠনের তৎপরতায় ইসলামী আন্দোলনকে চায় জাতীয় পার্টি

নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই নতুন জোট গঠনে তৎপর জাতীয় পার্টি। প্রাথমিকভাবে সাতটি দলের সংগে আলোচনা হয়েছে তাদের। এরমধ্যে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে অন্যতম দ্বিতীয় বৃহৎ দল চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন ওই জোটে থাকতে পারে। এছাড়া ২০১৮ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। পরে ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যান। এবার জাতীয় পার্টির সঙ্গে গাটছড়া বাধতে পারেন তিনি।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টিও বিএনপি প্রতি তাঁদের আগের মনোভাব থেকে সরে এসেছে। তবে দীর্ঘ দিনের মিত্র আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। নেতাদের বক্তব্যে এমনটাই মনে করছেন রাজনীতি সচেতন মানুষ। আবার অনেকে বলছেন, এটি জাতীয় পার্টির নয়া কৌশল নাকি বাস্তবতা সেটি তারাই ভালো জানে। তবে দলটি যে আগামী নির্বাচনেও জোটবদ্ধ থাকছে সে ধারণাও মিলছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বক্তব্যে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমাদের দলের তেমন একটা ভালো সম্পর্ক ছিল না। এখন অবশ্য সেটির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘদিন তারা ক্ষমতার বাইরে থাকাতে তারাও বুঝতে পেরেছে, তাদের ভুল ছিল কোথায়। তাদের আন্তরিকতা আমাদের ভাবাচ্ছে।

সম্প্রতি জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা চলছে অন্তত সাতটি দলের। এর মধ্যে আছে- ইসলামি আন্দোলন, মুহাম্মদ ইসহাকের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং এরি পার্টি। জি এম, কাদের বলেন, কয়েকটা রাজনৈতিক দল আমাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছে। যখন সময় আসবে তখন এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব আমরা।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ক’দিন আগে বৈঠক করেছেন জাতীয় পার্টির সাথে। আগের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করলেও, এবার তার আস্থা নেই বিএনপিতে।

তিনি বলেন, এখন ক্ষমতাসীন দলের যা অবস্থা এতে অনেকের সঙ্গেই অনেকের জোট হতে পারে। তবে সরকার যদি মানুষের সমস্যাগুলো হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে পারত তাহলে এত কিছু করতে হতো না।

নতুন নির্বাচনী জোটের পাশাপাশি বিরোধী দল হিসেবে শক্তি অর্জনেও তৎপর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের হাতে গড়া দলটি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *