লিচু খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেন কুমিল্লার কথিত পীর ইকবাল হোসাইন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের করা মামলায় বিভিন্ন স্থানে ১৭ দিন আত্মগোপনে থাকার পর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৯ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
এর আগে রোববার (১৮ জুন) রাজধানীর মিরপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, কথিত পীর মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন শাহ সুন্নি আল কাদেরি লিচু খাওয়ানোর কথা বলে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী শিশু পালিয়ে বাড়িতে গেলে গুরুতর অবস্থায় তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখান ইকবাল হোসাইনের অনুসারীরা।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, ঘটনার পরপর ইকবাল হোসাইন কক্সবাজারে পালিয়ে যান। সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ ঘুরে শেষে রাজধানীর মিরপুরে আত্মগোপন করেন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকায় তিনি সঠিকভাবে আরবি পড়তে পারেন না। মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে পুঁজি করে তিনি নানা অপকর্ম করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় লিচু খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে তার আস্তানায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।
এর আগেও তিনি নিজ আস্তানায় বিভিন্ন অপকর্ম করার সময় এলাকাবাসীর কাছে হাতেনাতে ধরা পড়েন। সে সময় মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান। ইকবাল হোসাইন নিজেকে চট্টগ্রামের একটি স্বনামধন্য পীরের প্রতিনিধি হিসবেও দাবি করতেন বলে জানান র্যাবের এ কর্মকর্তা।
টিভি নিউজ