জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব : ইসলামী যুব আন্দোলন

জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব : ইসলামী যুব আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, কোনো ধরনের টালবাহানা না করে অযোগ্য অসভ্য সিইসিকে দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাকে কিভাবে পদচ্যুত করতে হয়, তা বাংলাদেশের মানুষ ভালো করে জানে। তিনি সাংবাদিক পদে বসে নির্বাচন কমিশনকে পরীক্ষার কথা বলেছিলেন, আমরা তার কথা অনুযায়ী তার প্রাথমিক পরীক্ষা নিয়েছি। সেই পরীক্ষা দিতে গিয়ে অথর্ব সিইসি বরিশালে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করেছে। এই অযোগ্য সিইসি’র পদত্যাগ ও জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব।

আজ ১৭জুন ২০২৩ শনিবার বুকাল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন।

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মেয়র প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ও অযোগ্য সিইসি’র পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী মানসুর আহমদ সাকী, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুহাম্মদ মারুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফ বিন মেহের উদ্দিন, দফতর সম্পাদক এম এ হাসিব গোলদার, প্রচার সম্পাদক মুফতী আবু বকর সিদ্দীক, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক মাস্টার মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এতে প্রধান অতিথি আরও বলেন, যারা মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীমের ওপরে বর্বরোচিত হামলা করেছে, তারা ফেরাউন, নমরূদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তুমি বলেন, আমরা মনে করি, এই হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, তারা পরিকল্পিত ভাবে মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীমকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আর সিইসি’র বক্তব্য “তিনি কি ইন্তেকাল করেছেন?” এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পেরেছি নির্বাচন কমিশনও এই হত্যা-পরিকল্পনার সাথে জড়িত।

কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন বলেন, বরিশালে শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীমের ওপর হামলার ঘটনা প্রমাণ করে দেশটা এখন সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। সুস্থ ধারার রাজনীতির একজন ক্যারিশমাটিক নেতার উপর এই আক্রমণ এটাও প্রমাণ করে, নির্বাচন ব্যবস্থার মতো দেশের রাজনৈতিক ধারারও বিলুপ্তি ঘটিয়ে আওয়ামীলীগ এখন একদলীয় শাসনের পথে হাঁটছে। সরকার, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সবাই যেন জালেমের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আওয়ামী সরকার এদেশে যে পরিমাণ সন্ত্রাস করেছে, তা আর কেউ করেনি।

কেন্দ্রীয় সভাপতি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, পীর সাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বে সিইসি’র পদত্যাগ ও জাতীয় সরকার গঠনের আন্দোলনে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *