আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমদুল্লাহ

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় ও এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ শায়খ আহমদুল্লাহ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এ নিয়ে একটি স্টাট্যাস দেন এবং সেখানে তিনি ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

পাঠকের সুবিধারতে হুবহু লেখাটি তুলে ধরা হল –

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশুদ্ধ ও মার্জিত ভাষায় কথা বলতেন। শুদ্ধ সুন্দর ভাষায় কথা বলা সুন্নাহ।মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন- সেই আবদুস সালাম, আবদুল জাব্বার, রফিকুল ইসলাম ও বরকতুল্লাহকে মহান আল্লাহ আমাদের পক্ষ হতে উত্তম বিনিময় দান করুন। তাঁদের অর্জনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আসুন সবাই সর্বত্র নিঃসংকোচে প্রমিত বাংলা চর্চা করি। অপ্রয়োজনে বিদেশী ভাষার ব্যবহার ও বাংলিশ বর্জন করি।

আমরাও সকল ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের আত্মার শান্তির জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করি।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *