যে কারণে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হলো ইসরায়েলের আয়রন ডোম

যে কারণে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হলো ইসরায়েলের আয়রন ডোম

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বলা হয় ইসরায়েলের আয়রন ডোমকে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে গত শনিবার ইসরায়েলে পাঁচ হাজারের বেশি রকেট ছোড়ে ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থী দল হামাস। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে হামাসের রকেট ফাঁকি দিল আয়রন ডোমকে।

বলা হচ্ছে, ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার মুখে পড়েছে ইসরায়েলিরা।

আয়রন ডোম মূলত ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ করা একটি স্বল্প পাল্লার প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে রকেট, মর্টার, ড্রোনসহ শত্রুদের হামলা প্রতিহতে এই ব্যবস্থার সাফল্য ঈর্ষণীয়। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় তিনটি অংশ, প্রতিটি ইউনিটে থাকে ২০টি করে মিসাইল। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শনাক্তের পর আয়রন ডোম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আকাশেই প্রতিপক্ষের সমরাস্ত্র ধ্বংস করে। তবে এবার হামাসের রকেট ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে এটি।

আয়রন ডোমকে ফাঁকি দিতে বেশ কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছিল হামাস। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত শনিবার হামাস যখন হামলা চালায় তখন অল্প সময়ে অনেক রকেট একসঙ্গে ছোড়া হয়। এ কারণে অকার্যকর হয়ে পড়ে আয়রন ডোম।

২০০৬ সালে লেবানন যুদ্ধের সময় হিজবুল্লাহ কয়েক হাজার রকেট নিক্ষেপ করলে ইসরায়েলের হাফিয়াসহ আরও অনেক স্থানে অনেক ইসরায়েলি নিহত হন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েল নিজেদের এ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে। আয়রন ডোমের একটি ইউনিটের দাম প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২৩ কোটি টাকা।

C/I/H

হামাস কারা? তাদের লক্ষ্য কী? কেন হঠাৎ ইসরায়েলে হামলা?

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *